মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর–রাজনগর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান বলেছেন, মৌলভীবাজারে ধানের শীষের পক্ষে ভোটের মাঠে গণজোয়ার চলছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ ধানের শীষে ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে আছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের পশ্চিম বাজার ও বাজার টার্নিং এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এম নাসের রহমান বলেন, এবারের নির্বাচন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন। বিগত তিনটি নির্বাচনে জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। এবার সেই অধিকার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিতে হবে। এই ভোটের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত চপেটাঘাত হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে এ জেলার যত উন্নয়ন হয়েছে, তার বেশিরভাগই বিএনপি সরকারের আমলে হয়েছে। অন্য কোনো সরকার এত বৃহৎ পরিসরে উন্নয়ন করতে পারেনি। কক্সবাজার ও মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পতিত স্বৈরাচার সরকার কক্সবাজারে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। সেখানে বিমানবন্দর, সড়ক ও রেলপথসহ সব খাতে উন্নয়ন হয়েছে। অথচ মৌলভীবাজারে এর ছিটেফোঁটা উন্নয়নও হয়নি।
নাসের রহমান বলেন, মৌলভীবাজারে উন্নয়ন না হওয়ার একমাত্র কারণ এটি সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের জেলা। জেলার দুইটি থানা ও পৌরসভার গ্রামীণ অবকাঠামোর রাস্তাঘাট গত ১৭ বছর ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। নির্বাচিত হলে এসব সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পর্যটন জেলা হিসেবে শমসেরনগর বিমানবন্দর চালু এবং শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকাগামী স্পেশাল ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা আয়াছ আহমদ, মাহমুদুর রহমান, সেলিম সালাউদ্দিন, বদরুল আলম, এম ইদ্রিস আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি অলিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আহমেদ রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সারওয়ার মজুমদার ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহমেদ আহাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রুবেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহানসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।