চুনারুঘাট প্রতিনিধি :চুনারুঘাটের রেমা কালেঙ্গা বন জঙ্গল সলিমপুরে পরিণত করেছে সুমন বাহিনী।
চুনারুঘাটের পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন রেমা কালেঙ্গা সুমন বাহিনীর তাণ্ডবে জঙ্গল সলিমপুর পরিণত হয়েছে। এলাকাটি ভৌগলিক অবস্থায় খোয়াই নদীর পূর্ব পাড়ে হওয়ায় অনাসাই অপরাধের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সুমন বাহিনীর ডাকাত সুমন।
চুনারুঘাটের পূর্বাঞ্চলের কুখ্যাত ডাকাত বনদস্য সুমনের তাণ্ডবে জঙ্গল সলিমপুরে পরিণত হওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে ব্যাহত নিরীহ এলাকাবাসীর।
চুনারুঘাটের পূর্বাঞ্চলের কুখ্যাত ডাকাত ও রেমা কালেঙ্গা বনের বনদস্য সুমন বাহিনীর প্রধান ডাকাত সুমন ২০২০ সাল থেকে ২৬ সাল পর্যন্ত অস্ত্র, ডাকাতির, বনের গাছ লুটপা,নিরীহ মানুষের বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর জোরপূর্বক গরু চিন্তায় নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছে।এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৭ টি মামলা রয়েছে। সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত ৫০টি মামলার আসামী বর্তমানে জেল হাজতে থাকা ডাকাতি,বন মামলা, হত্যা,ধর্ষণ শিলতাহানি মামলার আসামি কুখ্যাত দস্য খালেকের উত্তরসূরী হিসেবে চুনারুঘাটের পূর্বাঞ্চলে বিনা বাঁধায় বন্দুকযুদ্ধ সহ বনের গাছ নিরীহ মানুষের বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ডাকাতি সহ অপরাধের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।নিরীহ এলাকাবাসীর দাবি ডাকাত সুমন এবং তার বাহিনীকে অচিরেই আইনের আওতায় নামতে পারলে নদীর পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ি এলাকায় নেমে আসতে পারে বিপর্যস্ত অবস্থা। এ বিষয়ে কালেঙ্গা বনবিট কর্মকর্তা আল-আমিন বলেন আমরা কোন অবস্থায় সুমন বাহিনীর তাণ্ডবের কাছে পেরে উঠতে পারছি না। ডাকাত সুমনের কাছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত হওয়ার কারণে আমরা বন বিভাগ আতঙ্কের মধ্যে দি নাতি পাত করছি।যেকোনো সময় সুমন বাহিনীর তাণ্ডব আমাদের উপর চলতে পারে এবং এখানে হতাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এপর্যন্ত সুমন বাহিনীর সাথে তিনবার গুলি বিনিময় হয়েছে একবার বন প্রহরীরা বনদস্য সুমন বাহিনীর মর্মর্ষ গুলির কারণে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। রেমা কালিঙ্গা বনের উপকারভোগী রহিম মিয়া বলেন সুমন বাহিনী গত তিন দিন আগে আমার বাড়িতে হামলা লুটতরাজ চালিয়ে আমার বাড়ির গরু, ঘর দুয়ার ভাঙচুর সহ তান্ডব চালিয়েছে, এখন আমি মানবেতর ও জীবনযাপন করছি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি আইনগত কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না। রেমা কালিঙ্গা বনের উপকারভোগী রহিম মিয়া বলেন সুমন বাহিনী গত তিন দিন আগে আমার বাড়িতে হামলা লুটতরাজ চালিয়ে আমার বাড়ির গরু, ঘর দুয়ার ভাঙচুর সহ তান্ডব চালিয়েছে, এখন আমি মানবেতর ও জীবনযাপন করছি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি আইনগত কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না। এ বিষয়ে হবিগঞ্জের নবাগত পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ বলেন আমরা অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কোন অবস্থায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন তাদের হাতে ধ্বংস হতে দেব না।