1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে সড়ক রক্ষা ও সংস্কারের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি চুনারুঘাটে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করলেন এমপি ফয়সল। মৌলভীবাজারে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার লুণ্ঠিত স্বর্ণের চেইন স্টাফ রিপোর্টারঃ চুনারুঘাটে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি আটক অবৈধ বালুঘাট থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য। জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত চুনারুঘাট থানার ওসি শফিকুল ইসলাম সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে অনুদান বিতরণ। চুনারুঘাটে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ ফজলুল হক তরফদার আবিদ মাধবপুরে এমপি এস এম ফয়সলকে সম্মিলিত সনাতনী সমাজের গণসংবর্ধনা। জাতীয় উদ্যানে সেগুনগাছ চুরি: থানায় মামলা, তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত।

চুনারুঘাটে মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চরমে: মিথ্যা মামলা, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

‎স্টাফ রিপোর্টার:হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা-এ মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, চাঁদাবাজি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে—এতে করে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
‎অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন উপজেলার ৩নং দেওরগাছ ইউনিয়নের আজিমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মন্নাফের ছেলে আব্দুল জলিল। স্থানীয়দের দাবি, তিনি একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন এবং পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাদক সরবরাহ করে আসছেন।
‎ভুক্তভোগী হিসেবে সামনে এসেছে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ধোলাইপাড় গ্রামের মৃত জহুর হোসেনের ছেলে কাজল মিয়ার নাম। অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বের পারিবারিক বিরোধের জেরে কাজল মিয়াকে টার্গেট করে তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়েরের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্ল্যাকমেইল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
‎অভিযোগ আরও রয়েছে, কাজল মিয়ার কাছ থেকে চুনারুঘাট বাজারের একটি বিকাশ দোকানের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করা হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এসব ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটলেও প্রভাবশালী মহলের কারণে ভুক্তভোগীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারছেন না।
‎এদিকে, গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে চুনারুঘাট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দুল জলিলের বাড়ি থেকে ১৫১ পিস ইয়াবা, প্রায় ৩ কেজি গাঁজা এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ও ১৯(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ—অভিযুক্ত ব্যক্তি এখনো প্রভাব খাটিয়ে আইনের আওতার বাইরে থাকার চেষ্টা করছে।
‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এটি শুধু ব্যক্তিগত বিরোধের ঘটনা নয়; বরং একটি সংগঠিত মাদক সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
‎ভুক্তভোগী কাজল মিয়া বলেন,
‎“আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমাকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার চাই।”
‎ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ বাড়ছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট