1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী ও সেলাই মেশিন বিতরণ বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রকাশ হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শনে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি: মাধবপুরে এমপি ফয়সল শফিকুর রহমানের রোগমুক্তি কামনায় রাণীগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল। চুনারুঘাটের গাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে পিতার সন্ধানে পুত্রের   সাংবাদিক সম্মেলন। চুনারুঘাটে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি পন্ডিত মিয়া গ্রেপ্তার হাকাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত সাংবাদিক নোমান মিয়া

চুনারুঘাটে মাদ্রাসার জমি বিক্রির অভিযোগে সভাপতি-সুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের গাতাবলা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ও সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির বিরুদ্ধে দানকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি অবৈধভাবে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবক প্রতিনিধি ও এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৭ সালে রইছ উল্লা নামের জমি দাতার পক্ষ থেকে দলিলের মাধ্যমে মাদ্রাসার নামে জমিটি দান করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম তালুকদার টুলু, সুপার আবু তাহের, সদস্য আলী হোসেন সহ কয়েকজন কমিটির প্রভাবে ওই জমি ব্যক্তিগত স্বার্থে বিক্রি করে দেন।

এ সংক্রান্ত একাধিক রেজুলেশনে জমি বিক্রির অনুমতি প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও অভিযোগকারীদের দাবি— বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইন অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দানকৃত জমি বিক্রি করার ক্ষমতা নেই। এটি সরকারি সম্পদের অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের শামিল বলেও অভিযোগে বলা হয়।

অভিভাবক প্রতিনিধি দুলাল মিয়া, খয়ার মিয়া, মদরিছ মিয়াসহ এলাকাবাসীরা অভিযোগে জানান, “মাদ্রাসার নাম ভাঙিয়ে দানকৃত সম্পদ আত্মসাতের চেষ্টা চলছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কোনো কমিটি যদি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়, তা বেআইনি হিসেবে গণ্য হবে।”

তারা বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযুক্ত সাবেক সভাপতি, সুপার ও সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ— মাদ্রাসার জমি বিক্রির মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের চেষ্টা চলছে। তাই সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

উল্লেখ্য, সরকারি বিধি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের জমি বিক্রি করতে হলে ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পূর্বানুমতি নিতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়াই ২৩ শতক জমি মাত্র ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২৩ লাখ টাকা।

জানা যায়, ওই জমি দান করেছিলেন স্থানীয় দাতা রইছ উল্লা। তিনি ১৯৭৭ সালে আসলা মৌজা, জেএল এসএ ১৩২, আরএসএ ১৩৬, এসএ ১০২, খতিয়ান ১৭৬, মৌয়াজি ২৩ শতক জমি মাদ্রাসার নামে দান করেছিলেন।

এ অভিযোগে এলাকাবাসী দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট