1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বনে সেগুন গাছ চুরির ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার উপজেলা প্রশাসন চুনারুঘাটের পক্ষ থেকে এমপি শাম্মী আক্তারকে শুভেচ্ছা। হবিগঞ্জের ৪ চা বাগানে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি বকেয়া বেতন-রেশনসহ ৭ দফা দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন গণঅধিকার পরিষদ চুনারুঘাট উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন হাফিজ তালুকদার চুনারুঘাটে সড়ক রক্ষা ও সংস্কারের দাবিতে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি চুনারুঘাটে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করলেন এমপি ফয়সল। মৌলভীবাজারে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার লুণ্ঠিত স্বর্ণের চেইন স্টাফ রিপোর্টারঃ চুনারুঘাটে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি আটক অবৈধ বালুঘাট থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য। জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত চুনারুঘাট থানার ওসি শফিকুল ইসলাম

চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন। তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥চুনারুঘাট উপজেলার বিলপাড় ঘোনার বাসিন্দা হেলাল মিয়া (পিতা: মৃত ফিরোজ মিয়া) জমি-সম্পর্কিত জটিলতা ও চাচাতো ভাইয়ের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

হেলাল মিয়া জানান, তার চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা (পিতা: মৃত আব্দুল গুফার) গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে জমি নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করছেন। তিনি বলেছেন, রউফের দাবি—তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা ও মামলার রায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি অভিযোগ করেন, রউফ দাবি করেছেন যে ১০ একর ৫৪ শতক জমির রায় তার পক্ষে গেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তি প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ খের জমি এবং এ জমির ওয়ারিশ তিনজন—হাতিম উল্লা, আতিক উল্লা ও আব্দুল কাইয়ুম (পিতা: কাজী মোল্লা)। রেকর্ড হওয়ার সময় (১৯৫৪) কাইয়ুমের বয়স ছিল মাত্র ৭-৮ বছর। এই অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার সুযোগ নিয়ে হাতিম উল্লা এককভাবে নিজের নামে রেকর্ড করে নেন বলে দাবি করেন হেলাল মিয়া।

তিনি আরও জানান, রউফ মিথ্যাচার করে নিজেকে পাড়াপ্রতিবেশী হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা প্রকৃতপক্ষে চাচাতো ভাই। রউফ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন, অথচ তিনি কখনো সাংবাদিকদের সামনে রায়কৃত কপি দেখাননি।

হেলাল মিয়া সাংবাদিকদের সামনে দুটি মামলার রায়কৃত নথিও উপস্থাপন করেন—
১) খতিয়ান ১৬১, দুধপাতিল মৌজা, দাগ ১০.৬৭—৪৫ শতক পুকুর।
২) খতিয়ান ১৬২, গাজীপুর মৌজা—বাড়ির সম্পত্তি।

তার দাবি, যদি হাতিম উল্লার নামে বৈধ খরিদানা মূল দলিল দেখাতে পারে, তবে তাদের পরিবার ওই জমির প্রতি কোনো দাবি রাখবে না। কিন্তু যদি দলিল দেখাতে না পারে, তবে জমির অর্ধেকের ওপর আব্দুল কাইয়ুমের ও তার ওয়ারিশদের বৈধ দাবি থাকবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন—আব্দুর রউফ কেন সত্য গোপন করছেন এবং কেন এটি বলছেন না যে তার বাবা কেবল খরিদানা সম্পত্তিই পেয়েছেন?

শেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

অভিযুক্ত চারজন হলেন—
১) আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা,
২) শাহীন মিয়া,
৩) লুৎফুর রহমান,
৪) শামীম মিয়া।

হেলাল মিয়া আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট