1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে পুলিশের জালে আ.লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার। চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা কাজল’ গ্রেপ্তার, স্বস্তিতে পৌরবাসী চুনারুঘাটে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ৪ আসামি গ্রেফতার, র‌্যাবের হাতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ চুনারুঘাটে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় চুনারুঘাট বাজারে যানজট নিরসনে পৌরসভার অভিযান, অবৈধ পার্কিংয়ে সতর্কতা এমপি এসএম ফয়সালকে মৃত দেখিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, চুনারুঘাট থানায় জিডি শিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি সুন্দ্রাটিকি পল্লী উন্নয়ন যুব সংঘকে মাদ্রাসার সংবর্ধনা চুনারুঘাটের রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন। জামিনে বেরিয়েই ফের বন উজাড়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নতুন করে গাছ পাচারের অভিযোগ বন কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন। তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥চুনারুঘাট উপজেলার বিলপাড় ঘোনার বাসিন্দা হেলাল মিয়া (পিতা: মৃত ফিরোজ মিয়া) জমি-সম্পর্কিত জটিলতা ও চাচাতো ভাইয়ের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

হেলাল মিয়া জানান, তার চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা (পিতা: মৃত আব্দুল গুফার) গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে জমি নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করছেন। তিনি বলেছেন, রউফের দাবি—তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা ও মামলার রায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি অভিযোগ করেন, রউফ দাবি করেছেন যে ১০ একর ৫৪ শতক জমির রায় তার পক্ষে গেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তি প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ খের জমি এবং এ জমির ওয়ারিশ তিনজন—হাতিম উল্লা, আতিক উল্লা ও আব্দুল কাইয়ুম (পিতা: কাজী মোল্লা)। রেকর্ড হওয়ার সময় (১৯৫৪) কাইয়ুমের বয়স ছিল মাত্র ৭-৮ বছর। এই অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার সুযোগ নিয়ে হাতিম উল্লা এককভাবে নিজের নামে রেকর্ড করে নেন বলে দাবি করেন হেলাল মিয়া।

তিনি আরও জানান, রউফ মিথ্যাচার করে নিজেকে পাড়াপ্রতিবেশী হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা প্রকৃতপক্ষে চাচাতো ভাই। রউফ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন, অথচ তিনি কখনো সাংবাদিকদের সামনে রায়কৃত কপি দেখাননি।

হেলাল মিয়া সাংবাদিকদের সামনে দুটি মামলার রায়কৃত নথিও উপস্থাপন করেন—
১) খতিয়ান ১৬১, দুধপাতিল মৌজা, দাগ ১০.৬৭—৪৫ শতক পুকুর।
২) খতিয়ান ১৬২, গাজীপুর মৌজা—বাড়ির সম্পত্তি।

তার দাবি, যদি হাতিম উল্লার নামে বৈধ খরিদানা মূল দলিল দেখাতে পারে, তবে তাদের পরিবার ওই জমির প্রতি কোনো দাবি রাখবে না। কিন্তু যদি দলিল দেখাতে না পারে, তবে জমির অর্ধেকের ওপর আব্দুল কাইয়ুমের ও তার ওয়ারিশদের বৈধ দাবি থাকবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন—আব্দুর রউফ কেন সত্য গোপন করছেন এবং কেন এটি বলছেন না যে তার বাবা কেবল খরিদানা সম্পত্তিই পেয়েছেন?

শেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

অভিযুক্ত চারজন হলেন—
১) আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা,
২) শাহীন মিয়া,
৩) লুৎফুর রহমান,
৪) শামীম মিয়া।

হেলাল মিয়া আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট