
চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥চুনারুঘাট উপজেলার বিলপাড় ঘোনার বাসিন্দা হেলাল মিয়া (পিতা: মৃত ফিরোজ মিয়া) জমি-সম্পর্কিত জটিলতা ও চাচাতো ভাইয়ের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।
হেলাল মিয়া জানান, তার চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা (পিতা: মৃত আব্দুল গুফার) গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে জমি নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করছেন। তিনি বলেছেন, রউফের দাবি—তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা ও মামলার রায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিনি অভিযোগ করেন, রউফ দাবি করেছেন যে ১০ একর ৫৪ শতক জমির রায় তার পক্ষে গেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তি প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ খের জমি এবং এ জমির ওয়ারিশ তিনজন—হাতিম উল্লা, আতিক উল্লা ও আব্দুল কাইয়ুম (পিতা: কাজী মোল্লা)। রেকর্ড হওয়ার সময় (১৯৫৪) কাইয়ুমের বয়স ছিল মাত্র ৭-৮ বছর। এই অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার সুযোগ নিয়ে হাতিম উল্লা এককভাবে নিজের নামে রেকর্ড করে নেন বলে দাবি করেন হেলাল মিয়া।
তিনি আরও জানান, রউফ মিথ্যাচার করে নিজেকে পাড়াপ্রতিবেশী হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা প্রকৃতপক্ষে চাচাতো ভাই। রউফ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন, অথচ তিনি কখনো সাংবাদিকদের সামনে রায়কৃত কপি দেখাননি।
হেলাল মিয়া সাংবাদিকদের সামনে দুটি মামলার রায়কৃত নথিও উপস্থাপন করেন—
১) খতিয়ান ১৬১, দুধপাতিল মৌজা, দাগ ১০.৬৭—৪৫ শতক পুকুর।
২) খতিয়ান ১৬২, গাজীপুর মৌজা—বাড়ির সম্পত্তি।
তার দাবি, যদি হাতিম উল্লার নামে বৈধ খরিদানা মূল দলিল দেখাতে পারে, তবে তাদের পরিবার ওই জমির প্রতি কোনো দাবি রাখবে না। কিন্তু যদি দলিল দেখাতে না পারে, তবে জমির অর্ধেকের ওপর আব্দুল কাইয়ুমের ও তার ওয়ারিশদের বৈধ দাবি থাকবে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন—আব্দুর রউফ কেন সত্য গোপন করছেন এবং কেন এটি বলছেন না যে তার বাবা কেবল খরিদানা সম্পত্তিই পেয়েছেন?
শেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
অভিযুক্ত চারজন হলেন—
১) আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা,
২) শাহীন মিয়া,
৩) লুৎফুর রহমান,
৪) শামীম মিয়া।
হেলাল মিয়া আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।