1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে পুলিশের জালে আ.লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মানিক সরকার। চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা কাজল’ গ্রেপ্তার, স্বস্তিতে পৌরবাসী চুনারুঘাটে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ৪ আসামি গ্রেফতার, র‌্যাবের হাতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩ চুনারুঘাটে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় চুনারুঘাট বাজারে যানজট নিরসনে পৌরসভার অভিযান, অবৈধ পার্কিংয়ে সতর্কতা এমপি এসএম ফয়সালকে মৃত দেখিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, চুনারুঘাট থানায় জিডি শিক্ষা ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি সুন্দ্রাটিকি পল্লী উন্নয়ন যুব সংঘকে মাদ্রাসার সংবর্ধনা চুনারুঘাটের রানীগাঁও বাজারে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন। জামিনে বেরিয়েই ফের বন উজাড়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নতুন করে গাছ পাচারের অভিযোগ বন কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা কাজল’ গ্রেপ্তার, স্বস্তিতে পৌরবাসী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর শহরের বহুল আলোচিত মাদক কারবারি মো. কাজল মিয়া (৪৭) ওরফে ‘ইয়াবা কাজলকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকা কাজলের গ্রেপ্তারের খবরে পৌর শহরের সচেতন মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমানের নির্দেশনায় এবং হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদের তত্ত্বাবধানে চুনারুঘাট থানার একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। চুনারুঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে এএসআই খালিদ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল পৌর শহরের নিজ এলাকা থেকে কাজল মিয়াকে আটক করে।
গ্রেপ্তার কাজল মিয়া চুনারুঘাট পৌরসভার চন্দনা-ধলাইপাড় এলাকার মৃত জহুর হোসেনের ছেলে।
সম্প্রতি চুনারুঘাটসহ আশপাশের এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে কাজল মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। বিষয়টি সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমানের নজরে এলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কাজল গ্রেপ্তার হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চন্দনা ও ধলাইপাড়সহ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। কাজল ওই সিন্ডিকেটের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে অনেকে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাজল মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অপরাধের ইতিহাস রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে তার বিরুদ্ধে চুরি, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৫, ২০১৮, ২০২০, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বরও তাকে একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিভিন্ন মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি পুনরায় মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়তেন। এতে এলাকার কিশোর ও তরুণদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল।
এদিকে কাজল মিয়ার গ্রেপ্তারে চুনারুঘাটের সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, তার গ্রেপ্তারের ফলে পৌর এলাকায় মাদক কেনাবেচা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার হবে।
তবে সচেতন মহল মনে করছেন, শুধু একজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করলেই মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, সরবরাহের রুট, পরিবহনকারী এবং নেপথ্যে থাকা সহযোগীদেরও তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
চুনারুঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “কাজল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। পুলিশের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট