1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে চুনারুঘাটের নাজমুন্নাহার নাঈম এখন বোয়ালমারীর এসিল্যান্ড চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা চুনারুঘাটে নজরুলের জীবন-সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিন সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় চুনারুঘাটে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের দুই নেতা গ্রেফতার বাহুবলে ফ্রেন্ডলি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সুন্দ্রাটিকির ক্রীড়াঙ্গন পরিবার চুনারুঘাটে যানজট নিরসনে মোবাইল কোর্ট, ২৪ হাজার টাকা জরিমানা জগদীশপুর রিজার্ভ বনে সেগুন কাঠসহ ভ্যান জব্দ চুনারুঘাটে গরিব ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ চুনারুঘাটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ও সংগঠনের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ চুনারুঘাটে কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল গ্রেফতার

জামিনে বেরিয়েই ফের বন উজাড়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নতুন করে গাছ পাচারের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন মামলার প্রধান আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ফের গাছ কাটা ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে কদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪ নম্বর পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী এলাকার কাঠালবাড়ি গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে কদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে বন থেকে সেগুন গাছ চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন শালটিলা বিট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম সানি। মামলাটি বন মামলা সিআর-৪৩/২৬। গত ২ আগস্ট আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান কদ্দুস মিয়া।
স্থানীয়দের দাবি, জামিনে মুক্তির পর কদ্দুস মিয়ার নেতৃত্বে তার ছোট ভাই আক্কাসসহ আলমগীর, সারাজ, হারুন, সানু মিয়া, হৃদয় ও রুবেল নামে কয়েকজনের সমন্বয়ে একটি চক্র সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গাছ কাটছে। পরে এসব গাছ বিভিন্ন পথে পাচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চলে গাছ চুরি ও পাচারের ঘটনা ঘটলেও প্রভাবশালী একটি চক্রের ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। বন কর্মকর্তারা একাধিকবার মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা নিলেও বন উজাড় পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে শালটিলা বিট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম সানি বলেন, “ফুলছড়ি ক্যাম্পের অধীন কাপাই চা-বাগানের পাশের ১৫ নম্বর সেকশন থেকে বিভিন্ন জাতের গাছ চুরি হয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাতছড়ি, কেমলাছড়া ও শালটিলা এলাকার বন ও পাহাড়ি অঞ্চল থেকে গাছ কেটে পাচার করছে। বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।”
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কদ্দুস মিয়া। তিনি বলেন, “দুটি ডিআই পিকআপ গাড়ির মালিক আমি। তবে গাছ পাচারের সঙ্গে আমি জড়িত নই।”
উল্লেখ্য, কদ্দুস মিয়া বন মামলা সিআর-৪৩/২৬-এর প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। বর্তমানে জামিনে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে বন থেকে গাছ কাটা ও পাচারের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় বন থেকে গাছ চুরি ও পাচার বন্ধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বনাঞ্চলে নিয়মিত নজরদারি ও টহল জোরদারের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট