1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামিনে বেরিয়েই ফের বন উজাড়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নতুন করে গাছ পাচারের অভিযোগ বন কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চুনারুঘাটে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ ওমরাহ পালনরত অবস্থায় এলাকাবাসী ও নেতা কর্মীদের  খোঁজখবর নিলেন যুবদল নেতা সৈয়দ আবু নাঈম হালিম। চুনারুঘাট থানার নতুন ওসি মো. সাইফুল ইসলাম নারীবাজি ও দালালিই মূল কাজ, আ’লীগ নেতা বেটি ফারুক এখন মানবাধিকার কর্মী! অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও ওজনে কম দেওয়ায় চুনারুঘাটে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা চুনারুঘাটে বন্যাকবলিত কৃষকদের মাঝে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুনারুঘাটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

জামিনে বেরিয়েই ফের বন উজাড়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নতুন করে গাছ পাচারের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন মামলার প্রধান আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ফের গাছ কাটা ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে কদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪ নম্বর পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী এলাকার কাঠালবাড়ি গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে কদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে বন থেকে সেগুন গাছ চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন শালটিলা বিট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম সানি। মামলাটি বন মামলা সিআর-৪৩/২৬। গত ২ আগস্ট আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান কদ্দুস মিয়া।
স্থানীয়দের দাবি, জামিনে মুক্তির পর কদ্দুস মিয়ার নেতৃত্বে তার ছোট ভাই আক্কাসসহ আলমগীর, সারাজ, হারুন, সানু মিয়া, হৃদয় ও রুবেল নামে কয়েকজনের সমন্বয়ে একটি চক্র সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গাছ কাটছে। পরে এসব গাছ বিভিন্ন পথে পাচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বনাঞ্চলে গাছ চুরি ও পাচারের ঘটনা ঘটলেও প্রভাবশালী একটি চক্রের ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। বন কর্মকর্তারা একাধিকবার মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা নিলেও বন উজাড় পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে শালটিলা বিট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম সানি বলেন, “ফুলছড়ি ক্যাম্পের অধীন কাপাই চা-বাগানের পাশের ১৫ নম্বর সেকশন থেকে বিভিন্ন জাতের গাছ চুরি হয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাতছড়ি, কেমলাছড়া ও শালটিলা এলাকার বন ও পাহাড়ি অঞ্চল থেকে গাছ কেটে পাচার করছে। বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।”
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কদ্দুস মিয়া। তিনি বলেন, “দুটি ডিআই পিকআপ গাড়ির মালিক আমি। তবে গাছ পাচারের সঙ্গে আমি জড়িত নই।”
উল্লেখ্য, কদ্দুস মিয়া বন মামলা সিআর-৪৩/২৬-এর প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। বর্তমানে জামিনে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে বন থেকে গাছ কাটা ও পাচারের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এদিকে পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় বন থেকে গাছ চুরি ও পাচার বন্ধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে বনাঞ্চলে নিয়মিত নজরদারি ও টহল জোরদারের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট