1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী ও সেলাই মেশিন বিতরণ বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যুতে হুইপ জি কে গউছের শোক প্রকাশ হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শনে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সততা-স্বচ্ছতায় মানুষের কাজ করে যাচ্ছি: মাধবপুরে এমপি ফয়সল শফিকুর রহমানের রোগমুক্তি কামনায় রাণীগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল। চুনারুঘাটের গাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে পিতার সন্ধানে পুত্রের   সাংবাদিক সম্মেলন। চুনারুঘাটে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি পন্ডিত মিয়া গ্রেপ্তার হাকাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত সাংবাদিক নোমান মিয়া

চুনারুঘাটের শাহীন নার্সারিতে সবুজ ফলবৃক্ষের সমাহার-৩’শত প্রজাতির ফল ফুল ও ফলজ বৃক্ষের ভান্ডার

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ মাসুদ আলম,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের বহুল আলোচিত শাহীন নার্সারী। উপজেলার দু’চারটি নার্সারীর মধ্যে অন্যতম এই পুরাতন নার্সারীটি। চুনারুঘাট পৌর শহরের খোয়াই নদীর পূর্ব দিকে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ পেরোলেই হরিহরপুর গ্রামের পড়াঝার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে এই নার্সারির অবস্থান। প্রায় ৩শত বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা নিয়ে প্রকৃতি প্রেমী ও বৃক্ষরোপণ উৎসাহীদের জন্য এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এখানে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা সহ বিভিন্ন পরিচিত ফলের গাছ তো রয়েছেই, পাশাপাশি রয়েছে নানান ধরনের বনজ ও ঔষধি গাছের চারা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই সবুজ বিপ্লব আসলেই দৃষ্টি নন্দন।
শাহীন নার্সারির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এখানে পাওয়া যায় উন্নত মানের বিভিন্ন কলমের চারা। ফলনশীল ও রোগমুক্ত চারাগাছের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে এটি স্থানীয়দের কাছে সুপরিচিত। এই সবুজ বাগানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আব্দুর শাহীন এর বাবা প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৯২ সালে সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই নার্সারি গড়ে তোলেন। ২০১৭ সালে অবসর নেওয়ার পর এই নার্সারিকে আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত করার সুযোগ পান। ২০২০ সালে হঠাৎ স্টোক জনিত কারণে তিনি মারা যান। পিতার রেখে যাওয়া এই সবুজ স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তার বড় ছেলে শাহীন আলম। পিতার হাতে লাগানো প্রতিটি চারা গাছকে তিনি পরম মমতায় পরিচর্যা করছেন এবং নার্সারিটিকে আরও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। চুনারুঘাট উপজেলায় সর্বপ্রথম নার্সারি স্থাপনের পথিকৃৎ ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। তার এই সাহসী উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি এবং পরিবেশের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। উন্নত মানের চারা উৎপাদনের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি চুনারুঘাট বৃক্ষ মেলা ও কৃষি মেলাতে বহুবার প্রথম স্থান অধিকার করেছেন, যা শাহীন নার্সারির সুনামকে আরও সুদৃঢ় করেছে। নার্সারির বর্তমান কর্ণধার শাহীন আলম তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “আমার বাবার হাতে গড়া এই নার্সারি আমার কাছে শুধু ব্যবসা নয়, এটা আমাদের পরিবারের ঐতিহ্যের একটা অংশ। আমি চেষ্টা করছি বাবার স্বপ্নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে। যেখানে মানুষ এসে গাছের পরিচর্যা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। নার্সারী নিয়ে স্হানীয় সংবাদকর্মী মোঃ মিজানুর রহমান বলেন এই নার্সারীটি আসলেই মান সম্মত।আমাদের এলাকায় এত সুন্দর ও সমৃদ্ধ একটি নার্সারি থাকাটা একটা গর্বের বিষয় ও বটে। তিনি বলেন,আমি প্রথমে প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের কাছ থেকে প্রথমে লিজুর চারা নিতে এসে এই নার্সারীর সাথে পরিচিত হই। এর থেকে আমি ও আমার স্বজনদের যত ধরনের চারার প্রয়োজন এই নার্সারী থেকে সংগ্রহ করার পরামর্শ দেই। চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহিদুল ইসলাম জানান চুনারুঘাট উপজেলায় ৯টি নার্সারী রয়েছে তার মধ্যে শাহীন নার্সারীর গুনগত মান প্রশংসনীয়। চুনারুঘাট কৃষি কাজ করে লাভবান হওয়ার মতো প্রচুর সুযোগ রয়েছে। শাহীন নার্সারী থেকে চারা সংগ্রহ করে অনেকের বাড়ীর আঙ্গিনা বিভিন্ন টিলা জাতীয় জমিতে ফলের বাগান করে লাভবান হতে পারবেন। তিনি বলেন হবিগঞ্জ কিংবা সিলেট থেকে যাতায়াতের খরচ বাচিয়ে শাহীন নার্সারী থেকে চারা সংগ্রহ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

হবিগঞ্জের ২৮টি চা-বাগানে শ্রমিকদের আন্দোলন প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত স্থগিত। চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার ২৮টি চা-বাগানের শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধি, উন্নত আবাসন, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং চা-শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চা-শ্রমিক নেত্রী খায়রুন বলেন, “আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হলেও আমাদের দাবি থেকে আমরা একচুলও সরে আসিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান না হওয়া পর্যন্ত দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, চা-শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দীন শামসু, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক তালুকদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক তরফদার, যুবদলের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ, মারুফ আহমেদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। এ সময় চুনারুঘাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। সভা শেষে চা-শ্রমিকরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানবিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট