
চুনারুঘাটে যৌথ অভিযানে ১১টি ডাকাতির গরু উদ্ধার, দুই নারী আটক; প্রধান অভিযুক্ত রিংকু রায় পলাতক।
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নে পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি গরুর খামার থেকে ডাকাতির অভিযোগে ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুই নারীকে আটক করা হলেও অভিযানের মূল অভিযুক্ত রিংকু রায় (শ্যামল রায় রিংকু) পালিয়ে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা রিংকু রায় দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামারের আড়ালে অবৈধভাবে ডাকাতি করা গরুর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত রাতে চুনারুঘাট থানা পুলিশ ও শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে রিংকু রায়ের খামারে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি খামারের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। পরে খামার থেকে ১১টি গরু উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে দুই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক দুই নারীর পরিচয় জানা যায়নি।
জানা গেছে, এর আগে গত শনিবার গভীর রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১৪টি গরুবোঝাই একটি পিকআপের চালক ও মালিককে হাত-পা বেঁধে প্রায় ২ লাখ টাকা এবং ৬টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় লুট হওয়া গরুর মধ্যে উদ্ধার হওয়া ১১টি গরু থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রিংকু রায়ের বিরুদ্ধে এর আগেও চুরি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া গরুর প্রকৃত মালিক শনাক্ত এবং পলাতক রিংকু রায়কে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।