1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আহম্মদাবাদের জনপদে জাকির হোসেন পলাশ: জনসেবা, নেতৃত্ব ও পথচলার সংগ্রাম চুনারুঘাটে মাদক সেবন ও বহনের দায়ে একজনের ১৫ দিনের কারাদণ্ড চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, ট্রাক্টরসহ আটক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা চুনারুঘাট বানিজ্য মেলা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। আটক – ৫ জনের দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান চুনারুঘাট মডেল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ইউএনও গালিব চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা, মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটের কালেঙ্গা বনে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব হবিগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় ৫৫ বিজিবির চা বাগানে পূজার আনন্দ, শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

চুনারুঘাট প্রেসক্লাবে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন। তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥চুনারুঘাট উপজেলার বিলপাড় ঘোনার বাসিন্দা হেলাল মিয়া (পিতা: মৃত ফিরোজ মিয়া) জমি-সম্পর্কিত জটিলতা ও চাচাতো ভাইয়ের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

হেলাল মিয়া জানান, তার চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা (পিতা: মৃত আব্দুল গুফার) গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে জমি নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করছেন। তিনি বলেছেন, রউফের দাবি—তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা ও মামলার রায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি অভিযোগ করেন, রউফ দাবি করেছেন যে ১০ একর ৫৪ শতক জমির রায় তার পক্ষে গেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই সম্পত্তি প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ খের জমি এবং এ জমির ওয়ারিশ তিনজন—হাতিম উল্লা, আতিক উল্লা ও আব্দুল কাইয়ুম (পিতা: কাজী মোল্লা)। রেকর্ড হওয়ার সময় (১৯৫৪) কাইয়ুমের বয়স ছিল মাত্র ৭-৮ বছর। এই অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার সুযোগ নিয়ে হাতিম উল্লা এককভাবে নিজের নামে রেকর্ড করে নেন বলে দাবি করেন হেলাল মিয়া।

তিনি আরও জানান, রউফ মিথ্যাচার করে নিজেকে পাড়াপ্রতিবেশী হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা প্রকৃতপক্ষে চাচাতো ভাই। রউফ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন, অথচ তিনি কখনো সাংবাদিকদের সামনে রায়কৃত কপি দেখাননি।

হেলাল মিয়া সাংবাদিকদের সামনে দুটি মামলার রায়কৃত নথিও উপস্থাপন করেন—
১) খতিয়ান ১৬১, দুধপাতিল মৌজা, দাগ ১০.৬৭—৪৫ শতক পুকুর।
২) খতিয়ান ১৬২, গাজীপুর মৌজা—বাড়ির সম্পত্তি।

তার দাবি, যদি হাতিম উল্লার নামে বৈধ খরিদানা মূল দলিল দেখাতে পারে, তবে তাদের পরিবার ওই জমির প্রতি কোনো দাবি রাখবে না। কিন্তু যদি দলিল দেখাতে না পারে, তবে জমির অর্ধেকের ওপর আব্দুল কাইয়ুমের ও তার ওয়ারিশদের বৈধ দাবি থাকবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন—আব্দুর রউফ কেন সত্য গোপন করছেন এবং কেন এটি বলছেন না যে তার বাবা কেবল খরিদানা সম্পত্তিই পেয়েছেন?

শেষে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

অভিযুক্ত চারজন হলেন—
১) আব্দুর রউফ ওরফে রঙ্গিলা,
২) শাহীন মিয়া,
৩) লুৎফুর রহমান,
৪) শামীম মিয়া।

হেলাল মিয়া আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট