1. live@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো
  2. info@www.dainikhabigonjeralo.com : দৈনিক হবিগঞ্জের আলো :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন, ট্রাক্টরসহ আটক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা চুনারুঘাট বানিজ্য মেলা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। আটক – ৫ জনের দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান চুনারুঘাট মডেল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ইউএনও গালিব চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা, মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটের কালেঙ্গা বনে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব হবিগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় ৫৫ বিজিবির চা বাগানে পূজার আনন্দ, শ্রমিকদের পাশে এমপি ফয়সল শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত চুনারুঘাটে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ চুনারুঘাটে ৭৪টি পূজামণ্ডপে সায়হাম গ্রুপের আর্থিক অনুদান

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো একাধিক অবৈধ হোটেল।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা একাধিক অবৈধ হোটেল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৪ থেকে ৫টি অবৈধ হোটেল ও বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন কৌশলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে এসব হোটেল নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে হোটেলগুলো পরিচালিত হয়ে আসছিল।
উচ্ছেদ অভিযানে মাধ্যম বিল্লাহ হোটেল, মুস্তাক হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেলসহ একাধিক অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সাতছড়ি রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জার মোবারক হোসেন। এ সময় সিএমসির সভাপতি আবুল হোসেনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এসব হোটেল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তবে এসব স্থাপনার সরকারি অনুমোদন ছিল কিনা, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ধারণা ছিল না। তারা বলেন, সাতছড়িতে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসেন। তাই পরিবেশ ও আইন মেনে পর্যটকদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা এলাকার পর্যটন শিল্পের জন্য ইতিবাচক হবে।
এ বিষয়ে রেঞ্জার মোবারক হোসেন বলেন, “জাতীয় উদ্যানের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। অবৈধ দখল ও স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আরও ব্যাপকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট